গণতন্ত্রের বুলি আওড়ানো মুজিব গনবিরোধী বাকশাল তৈরি করেছিল

গণতন্ত্রের বুলি আওড়ানো মুজিব গনবিরোধী বাকশাল তৈরি করেছিল

বাকশাল গঠনের ফলে যা হয়েছিল

১. বহুদলীয় রাজনীতি বন্ধ হয়ে যাওয়া

বাকশাল চালুর পর অন্য কোনো রাজনৈতিক দল স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে নি। এতে মানুষের ভিন্ন মত প্রকাশ ও বিকল্প নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ কমে গিয়েছিল ।

২. সব ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হওয়া

যার ফলে মুজিবের হাতে অধিকাংশ ক্ষমতা চলে যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভারসাম্য হারিয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রে আটকে পড়ে।

৩. সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া

প্রায় সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল এবং মাত্র কয়েকটি সরকারি নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা চালু রেখেছিল। ফলে জনগণ প্রকৃত তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।

৪. ভিন্নমত দমন

বিরোধী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সংগঠনগুলো চাপের মুখে পড়ে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে যায়।

৫. জেলা গভর্নর ব্যবস্থা

জেলা গভর্নর নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসন রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের অধীন হয়ে পড়ে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়।

৬. জনগণের অংশগ্রহণ কমে যাওয়া

সব সিদ্ধান্ত মুজিবের থেকে নেওয়া হতো। সাধারণ মানুষের মতামত বা স্থানীয় সমস্যার প্রতিফলন নীতিনির্ধারণে থাকত না।

৭. দেশের সমস্যার ভুল সমাধান

অর্থনৈতিক সংকট, দুর্ভিক্ষ ও প্রশাসনিক দুর্বলতার সমাধান হিসেবে একদলীয় শাসনকে সমালোচকরা ভুল পদক্ষেপ মনে করেন।

৮. দীর্ঘমেয়াদে অসন্তোষ তৈরি

রাজনৈতিক স্বাধীনতা সীমিত হলে মানুষের মধ্যে নীরব অসন্তোষ জমে। সমালোচকদের মতে, বাকশাল ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অস্থিরতার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

© স্টাইলিশ HTML সংস্করণ – বাকশাল বিরোধী যুক্তি

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক: বাংলার রাজনীতির অমর নেতা ও সমাজ সংস্কারক

জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশের এক চিরস্মরণীয় নেতা

মাওলানা ভাসানী: মজলুম জননেতার জীবনী, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অবদান