পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভারত–পাকিস্তান বিভক্তির ইতিহাস: সহজ ভাষায় পূর্ণ বিশ্লেষণ

ছবি
ভারত–পাকিস্তান বিভক্তির ইতিহাস | সহজ ভাষায় পূর্ণ বিশ্লেষণ E_URL]" /> ভারত–পাকিস্তান বিভক্তির ইতিহাস: সহজ ভাষায় পূর্ণ বিশ্লেষণ লিখেছেন: KothaOfTruth • প্রকাশ: • সময়: ১৫–২০ মিনিটে পড়া সংক্ষেপ: ১৯৪৭ সালের ভারত–পাকিস্তান বিভক্তি ছিল উপমহাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও মানবিক ঘটনা। ব্রিটিশ শাসন, দুই জাতি তত্ত্ব, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও তাড়াহুড়ো—সব মিলিয়ে লাখ লাখ মানুষের জীবন বদলে যায়। এখানে সহজ ভাষায় মোট কারণ, ঘটনাপ্রবাহ ও তার প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো। ভূমিকা ১৯৪৭ সালের ভারত–পাকিস্তান বিভক্তি (Partition of India 1947) দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বিতর্কিত ঘটনাগুলোর একটি। কয়েক শতাব্দীর উপনিবেশিক শাসন, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ধর্মীয় উত্তেজনা এবং ভুল সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ব্রিটিশ ভারত ভেঙে দুই নতুন রাষ্ট্র জন্ম নেয়: ভারত ও পাকিস্তান। এই বিভক্তি আজও ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব রেখে গেছে। বিভক্তির পেছনের মূল কারণগ...

গণতন্ত্রের বুলি আওড়ানো মুজিব গনবিরোধী বাকশাল তৈরি করেছিল

গণতন্ত্রের বুলি আওড়ানো মুজিব গনবিরোধী বাকশাল তৈরি করেছিল ডার্ক/লাইট মোড বাকশাল গঠনের ফলে যা হয়েছিল ১. বহুদলীয় রাজনীতি বন্ধ হয়ে যাওয়া বাকশাল চালুর পর অন্য কোনো রাজনৈতিক দল স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে নি। এতে মানুষের ভিন্ন মত প্রকাশ ও বিকল্প নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ কমে গিয়েছিল । ২. সব ক্ষমতা এক জায়গায় কেন্দ্রীভূত হওয়া যার ফলে মুজিবের হাতে অধিকাংশ ক্ষমতা চলে যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভারসাম্য হারিয়ে যায়। ফলে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রে আটকে পড়ে। ৩. সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া প্রায় সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছিল এবং মাত্র কয়েকটি সরকারি নিয়ন্ত্রিত পত্রিকা চালু রেখেছিল। ফলে জনগণ প্রকৃত তথ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ৪. ভিন্নমত দমন বিরোধী রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন ও নাগরিক সংগঠনগুলো চাপের মুখে পড়ে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে যায়। ৫. জেলা গভর্নর ব্যবস্থা জেলা গভর্নর নিয়োগের মাধ্যমে প্র...

স্বাধীনতার পর মুজিবের হাতে বাকস্বাধীনতার সবচেয়ে বড় ধাক্কা

স্বাধীনতার পর মুজিবের হাতে বাকস্বাধীনতার সবচেয়ে বড় ধাক্কা স্বাধীনতার পর মুজিবের হাতে বাকস্বাধীনতার সবচেয়ে বড় ধাক্কা উপশিরোনাম: মুজিব সরকারের সিদ্ধান্তে একদিনেই বন্ধ হয় দেশের সব বেসরকারি দৈনিক, কেবল চারটি পত্রিকা টিকে ছিল সরকারি নিয়ন্ত্রণে। স্বাধীনতার পর প্রত্যাশা ও বাস্তবতা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে মানুষের স্বপ্ন ছিল একটি মুক্ত ও গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার। সবাই আশা করেছিল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধরে একটি সমাজ গড়ে উঠবে যেখানে থাকবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জবাবদিহি। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি, দুর্নীতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা আর প্রশাসনিক দুর্বলতা সরকারকে কঠিন অবস্থায় ফেলে দেয়। পত্রিকাগুলো এই সমস্যা নিয়ে সমালোচনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে শুরু করে—যা সরকারের চোখে হয়ে ওঠে “রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড”। বাকশাল ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের চিন্তা স্বাধীনতার পর মুজিব একদলীয় শাসন ব্যবস্থা বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশে সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে, একদলীয় শাসন ব্যাবস্থা প্রতিষ্ঠ...

মাওলানা ভাসানী: কেন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নেননি এবং অংশ নিলে কী হত

মাওলানা ভাসানী: কেন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নেননি এবং অংশ নিলে কী হত মাওলানা ভাসানী: কেন ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নেননি এবং অংশ নিলে কী হত লিখেছেন: ইতিহাসভিত্তিক সম্পাদকীয় | তারিখ: ৬ নভেম্বর ২০২৫ | শব্দসংখ্যা: প্রায় ৫,০০০+ বিষয়সূচি ভূমিকা মাওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক দর্শন ১৯৭০ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কারণসমূহ ঘূর্ণিঝড় ১৯৭০ ও মানবিক দায়িত্ব যদি ভাসানী অংশ নিতেন — সম্ভাব্য ফলাফল আওয়ামী লীগের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব ইতিহাসবিদদের বিশ্লেষণ উপসংহার SEO কীওয়ার্ড ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এমন এক কিংবদন্তি নেতা যিনি রাজনীতিকে জনগণের মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে দেখেছিলেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সরাসরি সাধারণ নির্বাচন, যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি তৈরি করে। অথচ সেই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে অংশ নেননি মাওলানা ভাসানী। কেন তিনি এমন করলেন? ...